ফেসবুক ! মন্ত্রী শুভেন্দুর উদ্যোগে বাড়ি ফিরলেন মুর্শিদাবাদের শ্রমিকেরা - SAIKOTBHUMI

Breaking

Saturday, March 28, 2020

ফেসবুক ! মন্ত্রী শুভেন্দুর উদ্যোগে বাড়ি ফিরলেন মুর্শিদাবাদের শ্রমিকেরা




নিজস্ব প্রতিবেদন : কাজ করতে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় এসেছিলেন। কিন্তু বাংলাজুড়ে লকডাউন ঘোষিত হওয়ায় বাড়ি ফিরতে পারছিলেন না কর্মীরা। তাই একমাত্র ভরসা ছিল মুঠো ফোন। তাতেই কেল্লাফতে প্রায় ৫০জন শ্রমিকের। মুঠো ফোনের মাধ্যমে ফেসবুকে বাড়ি ফেরার জন্যে মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন করেন শ্রমিকেরা। সেই ভিডিও নিমিষে ভাইরাল হয়েযায়। নজরে পড়ে রাজ্যের পরিবহণ,সেচ ও জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। তিনি জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে মর্শিদাবাদের প্রায় ৫০জন শ্রমিককে বাড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শনিবার  তাদের খাওয়ার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি একটি বাসে করে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। জেলা শাসক পার্থ ঘোষ জানান, কাজের জেলায় এসে আটকে পড়ছিলেন প্রায় ৫০জন শ্রমিক। পরিবহণ মন্ত্রীর সহযোগিতায় তাদের খাওয়ার ব্যবস্থা করে তাদের বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।


           করোনা ভাইরাসের কারনে দেশজুড়ে ‘লকডাউন’ –র নির্দেশিকা জারি হয়েছে। ফলে পরিবহনের জন্যে বাস ও ট্রেন চলাচল সম্পূর্ন বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। এর জেরে বিভিন্ন শ্রমিক বিভিন্ন জেলায় আটকে পড়েছে। ক্রমেই তাদের রসদ কমতে শুরু করে। এমনই মুর্শিদাবাদের কয়েকজন যুবক পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় কাজ করতে এসে আটকে পড়েন। তারা কোনভাবেই বাড়ি ফিরতে পারছিলেন না। এদিকে কাজ–কর্ম বন্ধ থাকায় হাতে টাকাও প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই ফেসবুকে বাড়ি যাওয়ার আবেদন জানিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করে। 
 মুর্শিদাবাদের কর্মীদের হাতে জলের বোতল তুলে দেওয়া হচ্ছে।
যেখানে মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন করা হয়। সেই ভিডিওটি মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পৌঁছালে তিনি মুর্শিদাবাদের কর্মীদের বিষয়ে খোঁজ নিতে গিয়ে জানতে পারেন, তমলুক এলাকায় রয়েছে মুর্শিদাবাদের কয়েকজন শ্রমিক। তাদের মধ্যে কেউ রাজমিস্ত্রি, আবার কেউবা হুঁশিয়ারি শ্রমিক। মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারি বিষয়টি জানতেপারার পরেই জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেন এবং আটকেপড়া শ্রমিকদের বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিতে বলেন। জেলা শাসক পার্থ ঘোষের উদ্যোগে এবং তমলুকর বিডিও গোবিন্দ দাসের  সহযোগিতায় শ্রমিকদের মুর্শিদাবাদ যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তমলুক বিবেকানন্দ মোড় থেকে একটি বাসে করে শ্রমিকদের মুর্শিদাবাদে নিয়ে যাওয়া হয়। এদিন শ্রমিকদের হাতে জল এবং শুকনো খাবওয়ার তুলে দেওয়া হয়। শ্রমিকরা জানান, বাড়ি যাওয়ার জন্যে আমাদের কাছে কোনরকম পন্থা ছিল না। এদিকে হাতে টাকাও শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই শেষমেষ ফেসবুকে আমরা মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে আবেদন জানাই। মন্ত্রীর নজরে বিষয়টি আসার পরেই আমরা আজ বাড়ি যেতে পারছি। তাই ধন্যবাদ জানাই মন্ত্রী পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনকে।

Pages