প্রাণী সম্পদ বিকাশ দফতরের উদ্যোগে মুরগী পালনের প্রশিক্ষণ ও মুরগীর বাচ্চা বিতরণ - SAIKOTBHUMI

Breaking

Thursday, August 8, 2019

প্রাণী সম্পদ বিকাশ দফতরের উদ্যোগে মুরগী পালনের প্রশিক্ষণ ও মুরগীর বাচ্চা বিতরণ



গৌরনাথ চক্রবর্তী, পূর্ব বর্ধমানঃ বৃহস্পতিবার কাটোয়া ২ নং ব্লক প্রাণী সম্পদ বিকাশ দফতরের উদ্যোগে ও কাটোয়া ২ পঞ্চায়েত সমিতির সহযোগিতায় করুই ও শ্রীবাটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কুরচি, দোনা, করুই নতুনগ্রাম, মুলটি সহ বিভিন্ন গ্রামের মোট  ৩৩৯ জন উপভোক্তাদের প্রত্যেককে ১০ টি করে মোট ৩৩৯০টি উন্নত মানের ২৮ দিন বয়সের অধিক ডিম উৎপাদনকারী উন্নত জাতের মুরগির বাচ্চা প্রদান করা হয় । এছাড়া বিজ্ঞান সম্মত ভাবে মুরগি পালনের লক্ষ্যে উপভোক্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় । মুরগি গুলির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রত্যেক উপভোক্তাদের কার্যকরী ঔষধ প্রদান করা হয় । মুরগি গুলিকে রাণীক্ষেত রোগের প্রতিষেধক এফ ওয়ান টিকা প্রদান করেন ব্লকের প্রাণী মিত্রা ও প্রাণী বন্ধুরা। এই উপলক্ষে  কুরচি ও করুই  নতুনগ্রামে আয়োজিত বিতরণ সভায় উপস্থিত ছিলেন কাটোয়া ২ নং পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ  সুব্রত মজুমদার, পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সদস্য  তুষার সামন্ত, ব্লকের প্রাণী সম্পদ বিকাশ আধিকারিক ডাঃ জয়কিংকর মান্না,  কাটোয়া ২ নং পঞ্চায়েত সমিতির মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ বিকাশ স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ কোরবান মিদ্দা, গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য দেবাশিস ঘোষ, বুলটি বেগম, বিশিষ্ট প্রাণী চিকিৎসক ডাঃ প্রশান্ত পাল সহ বিভিন্ন পর্যায়ের জন প্রতিনিধি ও দপ্তরের কর্মীবৃন্দ। এ উপলক্ষে গ্রামবাসীদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো । কাটোয়া ২ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ  সুব্রত মজুমদার জানান যে, ব্লকে প্রথম পর্যায়ে মোট ২১৫০০ টি এধরনের উন্নত জাতের মুরগি ও খাকী ক্যাম্পবেল হাঁসের বাচ্চা বিতরণ করা হবে । তিনি আশা  প্রকাশ করেন যে এই প্রদেয় মুরগির বাচ্চা সঠিকভাবে ডাক্তারবাবুদের পরামর্শ মতো পালন করলে উপভোক্তাদের নিজ নিজ পরিবারের ডিমের চাহিদা সহজেই মিটতে পারে এবং স্থানীয় অঞ্চলে ডিমের ঘাটতি অনেকটাই মিটতে পারে। কাটোয়া ২ নং পঞ্চায়েত সমিতির মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ বিকাশ স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ কোরবান মিদ্দা প্রাণী পালকদের অত্যন্ত নিষ্ঠা সহকারে দফতরের পরামর্শ মতো সকল প্রকার প্রাণী পালন করার আবেদন জানান । ডাঃ প্রশান্ত পাল উপভোক্তাদের মুরগির সাধারণ রোগ এবং তার প্রতিষেধক টীকা প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করেন। তিনি আরও জানান যে, আবার একমাস পরে এই মুরগি গুলির টীকা দিতে দফতরের প্রাণীমিত্রারা বাড়ি বাড়ি যাবেন ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পরামর্শ দেবেন । গ্রামের সাধারণ মানুষ এক সঙ্গে মুরগির বাচ্চা, ওষুধ, বিজ্ঞান সম্মত ভাবে মুরগি পালনের পুস্তিকা ও প্রশিক্ষণ পেয়ে খুব খুশী ।

Pages