তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে কুৎসা-অপপ্রচার করা ছাড়া বিজেপির কোন লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নেই : শুভেন্দু অধিকারী ।ভিডিও দেখুন নিচের লিংকে ক্লিক করে - SAIKOTBHUMI

Breaking

Wednesday, April 24, 2019

তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে কুৎসা-অপপ্রচার করা ছাড়া বিজেপির কোন লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নেই : শুভেন্দু অধিকারী ।ভিডিও দেখুন নিচের লিংকে ক্লিক করে



রাজা বন্দ্যোপাধ্যায়,পটাশপুর: তৃণমূল এবং তৃণমূল শাসিত সরকারের বিরুদ্ধে কুৎসা-অপপ্রচার করা ছাড়া এদের কোন লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নেই। আগামী ১২মে উৎসবের মেজাজে ভোট দিন এবং মিথ্যাচারী দল বিজেপি ও তার দোসর সিপিএম সহ অন্যান্য দলগুলিকে রাজ্য তথা দেশ থেকে বিদায়ের পথ সুনিশ্চিত করুন। মঙ্গলবার বিকেলে পটাশপুরের পঁচেটগড় রাজবাড়ি সংলগ্ন মাঠে কাঁথি লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী সাংসদ শিশির অধিকারীর সমর্থনে নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন পরিবহণ ও পরিবেশমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন পঁচেটগড় ছাড়াও ভগবানপুরের মুগবেড়িয়ায় গঙ্গাধর হাইস্কুল মাঠে সভা করেন মন্ত্রী। সন্ধ্যায় খেজুরির কামদেবনগর এবং বটতলা এলাকায় সভা করেন শুভেন্দুবাবু।

  শুভেন্দুবাবুর বলেন,আমাদের মত সকলেই বলছেন,কেন্দ্রে বাঙালি প্রধানমন্ত্রী চাই। মহিলা প্রধানমন্ত্রী চাই। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে সকলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চাইছেন। আমরা যদি তাঁকে ৪২টি আসন নিয়ে দিল্লিতে পাঠাতে পারি,তাহলে এই স্বপ্ন পূরণ হবে। দেশের আঞ্চলিক দলগুলি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থন করছে। আগামী দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে যাতে দিল্লির চাবিকাঠি থাকে-তা সুনিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন,পটাশপুর,ভগবানপুর কিংবা খেজুরি বলুন-একটা সময় এই সমস্ত এলাকায় সিপিএম কী অত্যাচার চালিয়েছে-তা সকলেরই জানা। মানুষকে ঘরছাড়া করা,বর্গাদার ও পাট্টাদারদের উচ্ছেদ করা,জমির ধান লুট থেকে শুরু করে কিছুই বাকি রাখেনি।

শুভেন্দুবাবু বর্তমান সরকারের আমলে উন্নয়নের দীর্ঘ খতিয়ান তুলে ধরেন। বলেন, ২০১৪সালে ‘আচ্ছে দিনের’ প্রতিশ্রুতি দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারে ক্ষমতায় বসেছিল বিজেপি। কোনও প্রতিশ্রুতিই পূরণ করতে পারেননি ‘পদ্মবাবু’রা। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল শাসিত সরকার সব দিক থেকেই এগিয়ে। এটাই হল পার্থক্য। অথচ বিজেপি এবং সিপিএম কিছু করতে না পেরে কুৎসা-অপপ্রচারের রাস্তায় হাঁটছে। তবে যারাই আসুক না কেন,এবার নির্বাচনে তৃণমূলকে কেউ রুখতে পারবে না। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি ও সিপিএম সহ সব দল একজোট হয়ে তৃণমূলকে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে।

এদিন পটাশপুরে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় বিধায়ক জ্যোতির্ময় কর,জেলা পরিষদের বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ মৃণালকান্তি দাস,জয়ন্ত সাউ। ভগবানপুরে এলাকার বিধায়ক অর্ধেন্দু মাইতি,জেলা পরিষদের সদস্য মানব পড়ুয়া। আর খেজুরিতে বিধায়ক রণজিৎ মণ্ডল,জেলা পরিষদ সদস্য বিমান নায়ক সহ অন্যান্য নেতৃত্ব ও জনপ্রতিনিধিরা।

ভিডিও দেখুন–


Pages